1. [email protected] : jakir ub24 : jakir ub24
  2. [email protected] : shohag : shohag
  3. [email protected] : ub24 001 : ub24 001
  4. [email protected] : updatebarta24 :
৬জুলাই শেরপুরের ঐতিহাসিক কাটাখালি যুদ্ধ দিবস - আপডেট বার্তা24
September 16, 2021, 10:50 pm
সর্বশেষ সংবাদ
গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ৫১ আক্রান্ত ১,৮৬২ জন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যাক্ষ ডাঃ রুহুল কুদ্দুসের সাথে সাংবাদিক ইউনিয়নের মতবিনিময় কাগজি লেবুর ভেষজ গুণ বিশ্বকাপ দলের ফিনিশারদের ওপর অগাধ আস্থা নাসিরের জামালপুর‌ কর্তৃক কৃষক রেলি এবং কৃষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয় নিউজপোর্টাল বন্ধ করাটা আত্মঘাতি হবে : প্রেস ইউনিটি জোড়া ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার শ্রেনিকক্ষ- সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত  ৪ নং কুচলীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ‍্যালয় ডোমিঙ্গোদের কারনে দলের সাথে বিশ্বকাপে যাচ্ছে না সুজন জীবিত থেকেও করোনার টিকা নিতে পারছেন না মৃত মোখলেছ!
এইমাত্র পাওয়াঃ
গত ২৪ ঘন্টায় করোনা ভাইরাসে মৃত্যু ৫১ আক্রান্ত ১,৮৬২ জন সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজের অধ্যাক্ষ ডাঃ রুহুল কুদ্দুসের সাথে সাংবাদিক ইউনিয়নের মতবিনিময় কাগজি লেবুর ভেষজ গুণ বিশ্বকাপ দলের ফিনিশারদের ওপর অগাধ আস্থা নাসিরের জামালপুর‌ কর্তৃক কৃষক রেলি এবং কৃষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয় নিউজপোর্টাল বন্ধ করাটা আত্মঘাতি হবে : প্রেস ইউনিটি জোড়া ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার শ্রেনিকক্ষ- সংকটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত  ৪ নং কুচলীবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ‍্যালয় ডোমিঙ্গোদের কারনে দলের সাথে বিশ্বকাপে যাচ্ছে না সুজন জীবিত থেকেও করোনার টিকা নিতে পারছেন না মৃত মোখলেছ!

৬জুলাই শেরপুরের ঐতিহাসিক কাটাখালি যুদ্ধ দিবস

  • আপডেট : Tuesday, July 6, 2021
  • 60 বার সংবাদটি পড়া হয়েছে

শেরপুর প্রতিনিধিঃ-

আজ ঐতিহাসিক কাটাখালি যুদ্ধ দিবস। এই দিনে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ঐতিহাসিক কাটাখালি স্থানে ১৯৭১ সনের এইদিনে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে ৩ মুক্তিযোদ্ধাসহ ১২ জন শহীদ হন।
ওই সময় যুদ্ধে শহীদ হন একই পরিবারের ৩ মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নাজমুল আহসান, মোফাজ্জল হোসেন ও আলী হোসেন।
স্বাধীনতা অর্জনের পর শহীদ নাজমুলের নামে ময়মনসিংহ কৃষি বিদ্যালয়ে একটি হল, নালিতাবাড়ীতে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০১৮ সালে শহীদ নাজমুলকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ‘অপারেশন কাটাখালি’ ও রাঙ্গামাটিয়া যুদ্ধের সরকারি স্বীকৃতি মিলেছে। এছাড়া স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও চেতনা ভাস্বর করে রাখার জন্য স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৯ বছর পর হলেও পুরোনো সেই সেতুটি সংরক্ষণে ইতোমধ্যে সংস্কারসহ একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়েছে। সেইসাথে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণের পাশাপাশি কাটাখালি ব্রিজ অঙ্গনে স্বাধীনতা উদ্যান প্রতিষ্ঠা ও ইতিহাস লিপিবদ্ধ করার কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, ৫ জুলাই রাতে পরিকল্পনা অনুযায়ী কোম্পানী কমান্ডার নাজমূলের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা ডিনামাইট ফিট করে ঝিনাইগাতী-শেরপুর সড়কের কাটাখালি ব্রিজ উড়িয়ে দেয়। সফল অপারেশন শেষ করতে ভোর হয়ে যাওয়ায় পাশ্ববর্তী রাঙ্গামাটি গ্রামে আশ্রয় নেয় মুক্তিযোদ্ধারা। ওই গ্রামের আশ্রয়দাতারা মুক্তিযোদ্ধাদের খাসি জবাই করে খাওয়ার ব্যবস্থাও করেছিলেন। দিনের আলো ফুটে ওঠায় কোথাও বের হওয়া নিরাপদ মনে না করে পরিশ্রান্ত মুক্তিযোদ্ধারাও সেখানেই ঘুমিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। কিন্তু ওই গ্রামের দালাল জালাল মিস্ত্রী পাক বাহিনীর স্থানীয় হেড কোয়ার্টার আহাম্মদনগর ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানের খবরটি পৌঁছে দেয়। সংবাদ পেয়ে পাক হানাদার বাহিনী ৬ জুলাই সকালে রাজাকার, আল-বদরদের সাথে নিয়ে রাঙ্গামাটি গ্রাম তিনদিক থেকে ঘিরে ফেলে গুলিবর্ষণ শুরু করে। কোম্পানী কমান্ডার নাজমুল আহসানের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারাও পাল্টা গুলি ছুড়ে জবাব দেয়। শুরু হয় সম্মুখ যুদ্ধ। পাক বাহিনী অবিরাম গুলি বর্ষণ শুরু করে। ওই গ্রামের তিনদিক থেকে ঘিরে ফেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের যাওয়ার একমাত্র পথ খোলা ছিল রাঙ্গামাটি বিলের দিকে। বিলটিও পানিতে তখন টইটুম্বুর ছিল। এমন অবস্থায় ওই বিলের পানিতে নেমে কভারিং ফায়ার করতে করতে কোম্পানী কমান্ডার নাজমুল আহসান মুক্তিযোদ্ধাদের রাঙ্গামাটি বিলের পানি সাঁতরিয়ে চলে যাবার পথ তৈরী করে দেন। সকলে চলে যাওয়ার পর হঠাৎ পাক বাহিনীদের ব্রাশ ফায়ারে কমান্ডার নাজমুলের বুক ঝাঁঝড়া হয়ে যায়। কমান্ডার নাজমুলের লাশ আনতে গিয়ে তার চাচাতো ভাই মোফাজ্জল হোসেন ও আলী হোসেনও শহীদ হন পাকিস্তানিদের গুলিতে। এদিন শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তে রাঙ্গামাটি বিলের পানি রাঙ্গা হয়ে উঠেছিল।
মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দেওয়ার অপরাধে পাক বাহিনী রাঙ্গামাটি গ্রামে হানা দিয়ে খুঁজে খুজেঁ বের করে ৬০/৭০ জন গ্রামবাসীকে এক লাইনে দাঁড় করিয়ে ব্রাশ য়ায়ার করে। এতে ঘটনাস্থলেই ৯ জন শহীদ হন। এদের মধ্যে একজন গুলি খেয়েও মৃতের মতো পড়ে থাকেন। মৃত ভেবে পাক বাহিনী তাকে ফেলে চলে যায়। পায়ে বিদ্ধ গুলি নিয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা সেদিনের বিভীষিকা নিয়ে আজও বেঁচে আছেন রাঙ্গামাটি গ্রামের ইউনুছ আলী। এছাড়া গ্রামের বেশ কয়েকজন নারীর ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায় হানাদার বাহিনী। শহীদ পরিবারের সদস্যরা বুকফাটা কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছেন। ইতোমধ্যে রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের ৩ নারীকে সরকার বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়েছে। কিন্তু শহীদ পরিবারগুলোর কোন স্বীকৃতি মেলেনি। গ্রামবাসীদের প্রত্যাশা, তাদের দ্রুত স্বীকৃতি দেওয়া হোক, উন্নয়ন হোক গ্রামটির।

নিউজ টা আপনার টাইমলাইনে শেয়ার করে সবাইকে দেখার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদসমূহ

ক্যাটাগরিভিত্তিক সংবাদসমূহ

আপডেট বার্তা24 এ প্রকাশিত কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি

Theme Customized By BreakingNews
Translate »
error: Content is protected !!